কমিটি ও অনন্যা তথ্য আপলোড প্রক্রিয়াধীন, অনুগ্রহ পূর্বক অপেক্ষা করুন।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র

পরম করুনাময় মহান সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণে রেখে দেশ ও বিশ্বের মানব কল্যাণ এবং প্রকৃতি সুরক্ষার অভিপ্রায়ে যাত্রা শুরু এই সংগঠনের।এই যাত্রায় সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, অংশগ্রহণ ও পরামর্শ সংগঠন আন্তরিক ভাবে প্রত্যাশা করে। এই সংগঠন দেশের সকল আইন, নিয়মকানুন মেনে দেশের প্রতি আনুগত্য রেখে সকল কার্যক্রম ও পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। এই সংগঠন নানাবিদ সেবা সহযোগিতা মূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি শান্তি,সম্প্রীতি রক্ষায় ভূমিকা রাখতে বদ্ধপরিকর। মূলত অত্র সংগঠন একজন ব্যক্তি বা একটি পরিবারকে নাগরিক ও মানবিক অধিকার নিয়ে বাঁচতে সহযোগিতা মূলক পদক্ষেপ ও কর্মকান্ড পরিচালনা করবে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপি যুদ্ধ বন্ধ ও পরিবেশ সুরক্ষা সহ জনসচেতনতা মূলক কর্মকান্ড নিয়ে কমিউনিটি ও শিক্ষা প্রতিষ্টান ভিত্তিক র্কায়ক্রম পরিচালনা করবে।
সংগঠনের সকল সদস্য, সকল কমিটি এবং সম্পৃক্ত সকলেই সংগঠনের মৌখিক ও লিখিত সকল নিয়ম-কানুন মেনে চলতে আন্তরিকভাবে বাধ্য থাকিবে।
সংগঠনের গঠনতন্ত্রের নিম্ন লিখিত শর্ত ও নিয়মাবলী ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত হলো। পরম করুনাময় মহান সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।

অনুচ্ছেদ-১ সংগঠনের নাম :
হিঊমেইন গ্লোবাল অর্গানাইজেশন (Humane Global Organization)
অনুচ্ছেদ-২ প্রতিষ্ঠাতাকাল-
আনুষ্ঠানিক যাত্রা ১২ই ফেব্রæয়ারি ২০২১ইং। (সংগঠন সৃষ্ঠির কার্যক্রম পরিকল্পনা ২০১৫ সাল থেকে)
অনুচ্ছেদ-৩ সংগঠনের লোগোর ধরন বর্ণনা :-
নিচে সাদা গোলাকার বৃত্ত, তার উপর সবুজ গোলাকার বৃত্তাংশ এবং মাঝখানে গোলাকার পৃথিবীর মানচিত্রের অবস্থান। (সাদা অংশ হচ্ছে শান্তির প্রতীক আর সবুজ হচ্ছে পৃথিবীর প্রকৃতির মহাশক্তির নিদর্শন এবং গোলাকার পৃথিবীর মানচিত্র হচ্ছে এক পৃথিবী এক পরিবার।
অনুচ্ছেদ-৪ সংগঠনের ওয়েবসাইট:-
www.humaneglobal.org
:- www.humaneglobalorg.com
Facebook page:- Humane Global Organization
Email- infohgo2021@gmail.com
info@ humaneglobalorg.com
** ফোন নাম্বার ০১৮১৯৬৩১১৬৪
অনুচ্ছেদ-৫ সংগঠনের ধরন:-
এটি একটি সেবা, সহযোগীতা ও জনসচেতনতা মূলক গ্লোবাল মানবিক সংগঠন। উক্ত সংগঠন বিভিন্ন ফোরাম গঠনের মাধ্যমে সকল সেবা ও কার্যক্রম দেশ ও পৃথিবী ব্যাপী পরিচালনা করার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। সংগঠন শতভাগ সততা ও দায়িত্বশীল আন্তরিকতা দিয়ে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

অনুচ্ছেদ-৬ সংগঠনের মূলনীতি ও শ্লোগান:-
সেবা, সহযোগিতা, সচেতনতা (নিরাপদ হোক জীবন, নিরাপদ হোক পৃথিবী)।
অনুচ্ছেদ-৭ সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য:-
একজন ব্যক্তি ও একটি পরিবারকে নাগরিক ও মৌলিক অধিকার নিয়ে নিরাপত্তা সমধিকারের সাথে বেঁচে থাকতে সহযোগিতা করা। সে লক্ষ্যে সেবা, সহযোগিতা ও সচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনাএবং পৃথিবী ব্যাপি শান্তি রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা। (সংগঠনের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম সমূহ আলাদাভাবে সংযুক্ত আছে)।
অনুচ্ছেদ-৮ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা/উদ্যোক্তা:-
দিপাল অনিন্দ্য পাল (মিডিয়া ও মানবাধিকার কর্মী)।
অনুচ্ছেদ-৯ প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য:-
আলাদা পৃষ্ঠায় সংযুক্ত করা আছে।
অনুচ্ছেদ-১০ প্রতিষ্ঠাতা বোর্ডের ধরন:-
মূলত প্রতিষ্ঠাতা, সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে যে সকল ব্যক্তি সংগঠনের আহবায়ক কমিটিতে সম্পৃক্ত ছিল তাহারাই প্রতিষ্ঠাতা বোর্ডের সদস্য হিসেবে গণ্য। এছাড়াও পরবর্তী সমসাময়িক সময়ে বা এক বছরের মধ্যে যাহারা সংগঠনের সদস্য হয় তাহারা শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠাতা পরবর্তী সদস্য হিসেবে গণ্য।
অনুচ্ছেদ-১১ সংগঠনের সেবা প্রক্রিয়া :
সংগঠনের সেবা ও কার্যক্রম জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সার্বজনীন এবং কার্যক্রম পরিধি পৃথিবী ব্যাপী।তবে কমিটির সংগঠনের কিছু শর্ত ও নিয়ম-নীতি নির্ধারিত রয়েছে।
অনুচ্ছেদ-১২ সদস্যের শ্রেণী বিভাগ:-সাধারণ সদস্য, আজীবন সদস্য, দাতা সদস্য ও আর্ন্তজাতিক সদস্য।
অনুচ্ছেদ-১৩ সংগঠনে সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া :-
সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে যেকোনো নারী পুরুষ ১৮ বছর বয়স হতে বাংলাদেশের যেকোনো জেলা কিংবা পৃথিবীর যে কোনো রাষ্ট্র থেকে সংগঠনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনপূর্বক সদস্য হতে পারবে। কিন্তু কোন পদ পদবীর জন্য অনুরোধ কিংবা বাদ্য করা যাবে না। যোগ্যতা ও কার্যক্রমের ভিত্তিতে পদ পদবী নির্ধারণ করা হবে।
অনুচ্ছেদ-১৪ সংগঠনে আজীবন সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া ও প্রাপ্তি সমূহ :-
যে কোন ব্যাক্তি বা সম্মানিত সদস্য সংগঠনের “আজীবন” সদস্য হতে চাইলে অবশ্যই ওয়েবসাইটে আজীবন সদস্যের পরমে ক্লিক করে পূণ আবেদন করতে হবে। এবং অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত এককালীন অনুদান বিকাশ বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক একাউন্টে জমা দিতে হবে। এছাড়াও আজীবন সদস্য বৃন্দ মাসিক হিসেবে অথবা বাৎসরিক এককালীন সংগঠনের তহবিল গঠনের লক্ষ্যে অনুদান প্রদানে আন্তরিক হতে হবে। প্রত্যেক আজীবন সদস্যগণ যোগ্যতার ভিত্তিতে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুযোগ সুবিধার অধিকার থাকবে। তাছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে তাহাদের ভোটাধিকার ক্ষমতা সংরক্ষিত থাকবে। পাশাপাশি সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সম্মান সূচক” আজীবন সম্মাননা সনদ” পাওয়ার ও সুযোগ থাকবে।

অনুচ্ছেদ-১৫ আজীবন সদস্য পদ অনুমোদন প্রক্রিয়া:-
সংগঠনের যে কোন সাধারণ সদস্য আজীবন সদস্য হতে চাইলে সংগঠনের শর্ত ও নিয়মাবলী মেনে সংগঠনের প্রতি আনুগত্যতা ও আন্তরিকতা বিবেচনায় প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি সঠিক যোগ্য বিবেচনায় ও অনুমোদনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় আজীবন হতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-১৬ সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া ও বিলুপ্তি :-
নিয়ম মেনে যেকোনো বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি ও জেলা কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান সমন্বয়কারী পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবে তাছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটি যেকোনো সদস্যের যোগ্যতা বিবেচনায় সংগঠনের আজীবন সদস্য হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সদস্য ফোরামে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে। এখানে আরো উল্লেখ্য যে কোন কেন্দ্রীয় সদস্য যদি সংগঠনের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও শর্ত ভঙ্গ করে এবং সংগঠনবিরোধী কাজেই লিপ্ত থাকে, তবে তার কেন্দ্রীয় সদস্য পদ স্থায়ী/অস্থায়ীদুইভাবেই প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে আলোচনা পূর্বক নিয়ম মেনে সদস্য পদ বিলুপ্তি ও ঘোষণা করতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-১৭ আন্তর্জাতিক সদস্য:-
সংগঠনের লক্ষ্যে, কার্যক্রম ও পরিকল্পনায় সন্তুষ্টি হয়ে বিবেচনা সাপেক্ষে পৃথিবীর যে কোন দেশের নাগরিক সংগঠনের দাতা সদস্য বা আজীবন সদস্য হতে পারবে। তবে বাংলাদেশের কোন প্রকার পরিচালনা পর্ষদে বা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবেনা। কিন্তুআন্তরজাতিক সদস্যগণ যোগ্যতা অনুসারে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক ফোরামে পদ পদবিতেযুক্ত হতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-১৮ প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের নমিনি বিধান:-
প্রতিষ্ঠাতা বোর্ডের সদস্যদের অসুস্থ কিংবা মৃত্যুজনিত কারণে তার পরিবর্তে স্থলাবিষ্ট হবে তার মনোনিত ব্যক্তি। তবে তা প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাতা বোর্ডের সম্মতিক্রমে অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। এই ক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তির আগ্রহ ও যোগ্যতা বিবেচনা যুক্তিযুক্ত।
অনুচ্ছেদ-১৯ বস্তুগত ও অবস্তুগত সেবা বন্টনে আনুপাতিক হার:-
যেকোন বস্তুগত বা অবস্তুগত উপদান বা সেবার ক্ষেত্রে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে অংশ হিসেবে ৭০% এবং সদস্যের বাইরে অংশ হিসেবে ৩০% সেবা ও অধিকার বন্টিত হবে। এক্ষেত্রে যদি সদস্যদের মধ্যে অধিকার বিবেচনায় কম থাকে তবে ঐ অংশ সমূহ সদস্যদের বাইরে ও বণ্টিত হতে পারবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
অনুচ্ছেদ-২০ সদস্যদের সুবিধা অগ্রাধিকার বিবেচনা প্রক্রিয়া:-
কমিটির অর্ন্তভুক্তি সহ বিশেষ প্রয়োজনে সদস্যদের মধ্যে সুযোগ-সুবিধা ও প্রাপ্তি বিবেচনার ক্ষেত্রে পুরাতন সাধারণ সদস্য ও আজীবন পুরাতন সদস্যরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুযোগ-সুবিধার আওতায় আসবে, তবে এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা ও বিবেচনা মুখ্য। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে র্সবসম্মতিক্রমে যোগ্যতা ও দক্ষতা বিবেচনায় নতুনদের মধ্যে যদি কোনো অগ্রহী তাকে তাদেরকে ও সংগঠনের প্রয়োজনে বিবেচনা করা উত্তম উপায় হিসেবে গণ্য।

অনুচ্ছেদ- ২১ সদস্যদের দায়:-
কোন সদস্য কিংবা দায়িত্বশীল ব্যক্তির যে কোন ব্যক্তিগত অপরাধ, অনিয়ম কিংবা বেআইনি কার্যক্রমের জন্য সংগঠন বা দায়িত্বশীল ব্যক্তিগণ কোন ভাবে দায় এবং দায়ী থাকবে না।অনাকাক্সিক্ষত এসব ক্ষেত্রে উক্ত ইস্যুতে সংগঠনের নীতি গত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। তবে এখানে উল্লেখ থাকে যে, সংগঠনের যে কোন সদস্য যদি ন্যায্য কোন বিষয়েই সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তবে এই ক্ষেত্রে সংগঠন সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করতে আন্তরিক থাকবে।
অনুচ্ছেদ-২২ সদস্যদের অধিকার:
সংগঠনের যে কোন সদস্য এবং তার পরিবার যেকোনো যুক্তিক নেতিবাচক পরিস্থিতিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা সংগঠনের পক্ষ থেকে পাওয়ার অধিকার রাখে, এক্ষেত্রে সংগঠন আন্তরিকভাবে দায়বদ্ধ।
অনুচ্ছেদ-২৩ সদস্যদের অনুদান প্রক্রিয়া:-
সম্মানিত দাতা সদস্যগণ মাসিক সর্বনিম্ন ১০০ টাকা (যা পরিবর্তীত),সম্মানিত আজীবন সদস্যগণ মাসিক সর্বনিম্ন ৩০ টাকা (যা পরিবর্তীত)সম্মানিত সাধারণ সদস্যগণ মাসিক সর্বনিম্ন ২০ টাকা (যা পরিবর্তীত) হাওে অনুদান প্রদান করবে। উল্লেখ্য সর্বোচ্চ অনুদান প্রদান স্বইচ্ছায় বিবেচিত হারে সংগঠনের তহিবিল গঠন ও নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বিকাশ,নগদ কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করবেন। তবে আন্তরজাতিক ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম প্রয়োজ্য।
অনুচ্ছেদ-২৪ বিভিন্ন কমিটির সদস্যের অনুদান প্রক্রিয়া:-
কেন্দ্রীয় কমিটি, সকল জেলা ও বিভাগীয় কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকগণ মাসিক ১০০ টাকা। সম্পাদকগণ ৬০ টাকা ও সহ-সম্পাদকগণ ৫০ টাকা। তাছাড়া ও সকল থানা/ উপজেলা সভাপতি সাধারণ সম্পাদকগণ ৫০ টাকা, সম্পাদক ও সহ-সম্পাদকগণ ৩০ টাকা হারে মাসিক অথবা বছরে এককালিন অনুদান প্রদান করতে উৎসাহি থাকিবে। উক্ত অনুদান নিদিষ্ট কেন্দ্রীয় বিকাশ, নগদ কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, উন্নয়ন কার্যক্রম ও তহবিল গঠনের লক্ষ্যে অনুদান প্রদান করবে।
অনুচ্ছেদ-২৫ বৈদেশিক অনুদান প্রক্রিয়া:-
অত্র সংগঠনের লক্ষ্য, কার্যক্রম ও নিয়মনীতি প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পৃথিবীর যেকোন দেশের দাতা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সংগঠনে অনুদান দিতে আগ্রহী হলে, সংগঠন দেশের আইন ও নিয়মনীতি মেনে ব্যাংকিং প্রক্রিয়ায় উক্ত অনুদান গ্রহণ করিতে পারিবে। তবে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড ও কেন্দ্রিয় কমিটি একটি বোর্ড গঠন পূর্বক উক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করিবে।
অনুচ্ছেদ-২৬ সংগঠনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার পদ্ধতি:-
সংগঠন কার্যক্রম ভিত্তিক বিভিন্ন ফোরামের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ফোরাম সমূহ :-ক) আইনজীবী ফোরাম। খ) ব্লাড ডোনার ক্লাব। গ) স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম। ঘ) উদ্যোক্তা ফোরাম। আন্তর্জাতিক ফোরাম সমুহ :-
ক) গ্লোবাল শান্তি রক্ষা ফোরাম। খ) গ্লোবাল পরিবেশ সুরক্ষা ফোরাম।
অনুচ্ছেদ-২৭ কমিটি নেটওয়ার্ক :-
সংগঠন পরিচালনার জন্য যে কমিটি নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কার্যক্রম পরিচালিত হবে তা হল:-ক) কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড খ) কেন্দ্রীয় কমিটি গ) বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি ঘ) জেলা কমিটি ঘ) উপজেলা কমিটি এবং পরবর্তীতে সংগঠন কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনে বিভিন্ন উপ কমিটি গঠন অনুমতি সাপেক্ষে করতে পারে। প্রত্যেক কমিটিতে একটি করে উপদেষ্টা প্যানেল থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম সংয়ুক্ত থাকবে।
অনুচ্ছেদ-২৮ কমিটির কাঠামো:-
কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে ৫১/১০১ জন বিশিষ্ট, বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি ১১/২১ জন বিশিষ্ট, জেলা কমিটি গঠিত হবে ৩১/৫১/১০১ জন বিশিষ্ট। উপদেষ্টা প্যানেল সদস্য স্ব স্ব কমিটি দ্বারা নির্ধারিত। এখানে আরো উল্লেখ থাকে যে প্রত্যেক কমিটি সময় ও বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে কমিটির আকার অনুমোদন স্বাপেক্ষা পরিবর্তন করা যাবে।কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থেবিভিন্ন গ্রæপ উপ-ইউনিট ও গঠন করা যাবে।
অনুচ্ছেদ-২৯ সংগঠনের ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি:-
সংগঠনের সকল কার্যক্রম প্রতিষ্ঠাতা র্বোড ব্যাবস্থাপনা, কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা, বিভাগীয় ব্যবস্থাপনা, জেলা ব্যবস্থাপনা ও বিশেষ প্রয়োজনে মহানগর, ব্যবস্থাপনা উপজেলা ও ইউনিট ব্যবস্থাপনা ভিত্তিক পরিচালিত হবে। তবে যে কোন সেবা বা কার্যক্রম তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।
অনুচ্ছেদ-৩০ গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্পৃক্ততার নৈতিক শর্ত:
সামাজিক ভাবে কোন বিতর্কিত বা চিহ্নিত ব্যক্তি,বির্তকিত রাজনীতবিদ সংগঠনের নীতিগত স্বার্থে পরিচালনা পর্ষদ কিংবা দায়িত্বশীল পদে থাকতে পারবেনা।তবে সংগঠনের স্বার্থে যোগ্যতা ও সততা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত সিদ্ধান্তক্রমে সদস্য কিংবা উপদেষ্টা হতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-৩১ নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া :-
সংগঠনের সূচনা লগ্নে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করবে প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড এবং যে কোনো বিভাগীয় কমিটি, জেলা কমিটি ও উপজেলা কমিটি নতুন অবস্থায় গঠনের পূর্বে ওই অঞ্চলের সদস্যদের নিয়ে যৌথ মতামতের ভিত্তিতে একটি অস্থায়ী আহবায়ক কমিটি গঠিত হবে। উক্ত আহবায়ক কমিটি প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ক্রমান্বয়ে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধিপূর্বক সদস্যদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে শক্তিশালী নতুন কমিটি গঠন করবে এবং উক্ত কমিটিকে স্ব স্ব নিয়ন্ত্রিত কমিটি দ্বারা অনুমোদন নিয়ে কেন্দ্রে প্রেরণ করে পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে এবং তা পরবর্তীতে ওয়েবসাইটে প্রচারিত হবে।
অনুচ্ছেদ-৩২
বিভিন্ন কমিটির মেয়াদকাল :-
প্রতিষ্ঠাতা বোড স্থায়ী একটি পরিচালনা পর্ষদ তাই এই পর্ষদ স্থিতিশীল থাকবে। কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে তিন বছরের জন্য। বিভাগীয় সমন্বয়ে কমিটি গঠিত হবে তিন বছরের জন্য। জেলা কমিটি গঠিত হবে দুই বছরের জন্য। উপজেলা কমিটি গঠিত হবে দুই বছরের জন্য। উপকমিটি গুলোর মেয়াদকাল সংশ্লিষ্টদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।তবে এখানে উল্লেখ থাকে যেকোন কমিটি সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে কার্যক্রমের সুনাম ও সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সকল কমিটির স্থায়ী কাল একটি সাধারণ সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পূর্বক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও অনুমোদন সাপেক্ষে কমিটির মেয়াদ বর্ধিত করা যাবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন

জটিলতা সৃষ্টি হলে কেন্দ্রীয় কমিটি এবং প্রতিষ্ঠাতা বোড যৌথ সিদ্ধান্তক্রমে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা চূড়ান্ত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।।
অনুচ্ছেদ-৩৩ মেয়াদ শেষে নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া :-
যেকোনো কমিটি তার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে একটি সাধারণ সভার মাধ্যমে বিগত সময়ের সমস্ত কার্যবিবরণী ও হিসাব নিকাশ কার্যকরী সভায় দাখিল করবে। পরবর্তীতে চলমান কমিটি একটি সাধারণ সভার মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে নতুন কমিটি গঠনকল্পে একটি অস্থায়ী আহবায়ক কমিটি গঠন করবে। উক্ত আহবায়ক কমিটি নতুন পরিচালনা কমিটি গঠনের সমস্ত প্রক্রিয়া গঠন করবে। পাশাপাশি চলমান কমিটি পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা করবে। এবং পরবর্তীতে আহবায়ক কমিটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন কমিটিকে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে এবং পুরাতন কমিটি সম্মান ও আন্তরিকতার সহিত দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন কমিটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে। তবে এখানে উল্লেখ্য যে নতুন কমিটিকে অবশ্যই পুরাতন কমিটির সাথে অভিজ্ঞতা শেয়ারিং এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করার মানসিকতা রাখতে হবে।
অনুচ্ছেদ-৩৪ শূন্যস্থানে স্থানে নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া :-
যেকোনো বিভাগ, জেলা কিংবা ফোরামের নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে উক্ত বিভাগ, জেলা বা উপজেলার যেকোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি স্বপ্রণোদিত হয়ে কমিটি গঠন করতে চাইলে, প্রথমে ওয়েবসাইট থেকে ঐ জেলার সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ করে বা পরিচিতজনদের সদস্য করে সমন্বয় পূর্বক একটি খন্ডকালীন আহবায়ক কমিটি গঠন করতে পারবে। উক্ত আহবায়ককমিটির সদস্য সংখ্যা থাকবে ৭/১১/২১ জন। গঠিত আহবায়ক কমিটি ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং ক্রমাগত পরিচিত আগ্রহী ব্যক্তি কিংবা বিভিন্ন উপায়ের মাধ্যমে সদস্য বৃদ্ধি করে এক একটি সাধারণ সভা বা সম্মেলনপূর্বক শক্তিশালী কার্যকর কমিটি গঠন করার অনুমতি সংগঠন নিশ্চিত করে এবং গঠনকৃত কমিটি অবশ্যই কেন্দ্রীয় কমিটি কে অবহিত করে অনুমোদন নিতে হবে। উক্ত কমিটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এবং পরবর্তীতে কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ন্যূনতম ৩ মাস পূর্বে তাহারা নতুন কমিটি গঠনকল্পে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করবে। উক্ত আহবায়ক কমিটি নতুন কমিটি গঠনের সকল প্রক্রিয়া হাতে নেবে এবং পাশাপাশি তাহারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকি করবে।
অনুচ্ছেদ-৩৫ মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি পুন বহাল প্রক্রিয়া:-
যেকোনো কমিটি তাদের কার্যকাল উত্তীর্ণ হলে সংগঠনের বিশেষ প্রয়োজনে গ্রহণ যোগ্যতার ভিত্তিতে অধিকাংশ সদস্যের সম্মতি ক্রমে কমিটি পুনবাহাল হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে প্রধান প্রধান পদ ঠিক রেখে পুনগঠন করতে হবে। তাছাড়া অবশ্যই কেন্দ্রকে অবহিত পূর্বক সম্মতি নিয়ে পুনঃ গঠন করতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-৩৬ কমিটির মেয়াদকাল, বিলুপ্তি ও পুন গঠন প্রক্রিয়া:-
প্রত্যেক কমিটি পরিচালনার স্থায়ীকালের মধ্যে প্রাসঙ্গিক অভিযোগ বা সংগঠনের নিয়মের বিশেষ কোন কিছু বিচ্যুতি ঘটলে যেকোনো সময় প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড কিংবা কেন্দ্রীয় কমিটি সংগঠনের স্বার্থে সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেকোনো সময় তা বিলুপ্তি ঘোষনা করতে পারে। তাছাড়াও সংগঠনের উক্ত শাখার অধিকাংশ সদস্যদের ঐক্য মতের ভিত্তিতে এবং সংগঠনের নিয়ম নীতির মধ্যে তদন্ত কমিটির সুপারিশ ক্রমে পুনঃবহালকরতে পারবে।

অনুচ্ছেদ-৩৭ মেয়াদ শেষে নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়া :-
যেকোনো চলমান কমিটির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার নূন্যতম (৩) তিন মাস পূর্বে চলমান কমিটি সাধারণ সভার মাধ্যমে সাবেক তিন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে সমন্বয় পূর্বক নতুন কমিটি গঠনকল্পে ৭/১১/২১ জন বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করবে। উক্ত আহবায়ক কমিটি নতুন কমিটি গঠনের সমস্ত প্রক্রিয়া ও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং চলমান কমিটির বিলুপ্তির পর নতুন কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। উক্ত আহবায়ক কমিটিকে অবশ্যই তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের সাথে সমন্বয় পূর্বক সাধারণ সভা বা সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি উপহার দিতে বাধ্য থাকিবে। অন্যতায় সংগঠনের স্বার্থে কেন্দ্রীয় কমিটি সংশ্লিষ্টদের সাথে সমন্বয় পূর্বক নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-৩৮ গুরুত্বপূর্ণ পদে সদস্য নিষ্ক্রিয় হলে:-
কমিটির/ফোরাম/প্যানেলের যেকোনো সদস্য যদি সক্রিয় না থাকে তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা স্বার্থেউক্ত পদে যোগ্য ও আগ্রমী যেকোনো সহ পদধারী ব্যক্তিকে যোগ্যতা বিবেচনায় স্থলাভিষিক্ত করতে পারবে। তবে ঐ নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিকে মৌখিক অথবা লিখিত নোটিশ দিয়ে জানাতে হবে।
অনুচ্ছেদ-৩৯ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রশ্নবিদ্ধ হলে:-
সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসিন্ন যে কোন ব্যক্তি জটিল ও অমীমাংসিত যে কোন সুনিদিষ্ট অভিযোগ বা সমস্যার সম্মুখিন হলে উক্ত কারণে সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে আপত্তি কিংবা ব্যাঘাত সৃষ্টি হলে স্বপ্রণোদিত হয়ে ঐ কমিটির পদ বা অবস্থান থেকে দায়িত্ব হস্তান্তর পূর্বক সরে যেতে হবে। অন্যতায় সংগঠনের স্বার্থে ঐ কমিটি বা ফোরামের নিয়ন্ত্রণকারী কমিটি কেন্দ্রকে অবহিত পূর্বক নোটিশের মাধ্যমে স্থায়ী কিংবা অস্থায়ীভাবে অব্যাহতি দিয়ে উক্ত পদে পরবর্তী পদধারিকে যোগ্যতা বিবেচনায় সংযুক্ত করতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-৪০ কমিটি গঠনে জটিলতা সৃষ্টি হলে :-
যেকোনো কমিটি গঠনে মতানৈক্য বা জটিলতা সৃষ্টি হলে প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড বা কেন্দ্রীয় কমিটি অত্র অঞ্চলের সদস্য এবং সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা পূর্বক যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তার সংগঠনের শৃঙ্খলা স্বার্থে সবাইকে মানতে আন্তরিক থাকতে হবে এবং ঐ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
অনুচ্ছেদ-৪১ কমিটির সাধারণ সভার প্রক্রিয়া:-
প্রত্যেক কমিটি ন্যূনতম তিন মাস পর পর সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি ক্রমে সাংগঠনিক নিয়মে কার্যকরী বা সাধারণ সভা আহবান করবে এবং প্রতি বছর একটি সাধারন সভার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বছরের সকল কার্যক্রম, আয়-ব্যায় ও বার্ষিক পরিকল্পনা উপস্থাপন করবে এবংওয়েব সাইটে প্রকাশ করবে।
অনুচ্ছেদ:-৪২ বিভাগীয় কমিটির দায়িত্ব ও কার্যক্রম:-
বিভাগীয় পরিচালনা কমিটি কোন অনুষ্ঠান বা কার্যক্রম আয়োজন করবে না।শুধুমাত্র উক্ত কমিটি সকল জেলা কমিটিকে দিকনির্দেশনা, পর্যবেক্ষণ, অনুমোদন, তদারকি এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি সকল জেলা কমিটির ও ফোরামের প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক তথ্য কার্যক্রম কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিত করবে।

অনুচ্ছেদ-৪৩ বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অবস্থান :-
সকল বিভাগীয় ও জেলা কমিটির পরিচালক ও সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মহোদয় পদাধিকার বলে কেন্দ্রের সদস্য হিসেবে বিবেচিত। তাছাড়াও চলমান জেলা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক কমিটি বিলুপ্তির পর বিভাগীয় সমন্বয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে এবং পর্যায়ক্রমে যোগ্যতা ও দক্ষতা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদ পদবীতে আসিন্ন হতে পারবে। সাবেক চেয়ারম্যান,মহাসচিব, পরিচালক, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক মহোদয়গণ অবশ্যই তাহারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে উপদেষ্টা ও গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারক হিসেবে স্থান পাবে। পাশাপাশি স্মৃতি স্মারক ও সম্মাননার সর্বোচ্চ মূল্যবোধে “অনার বোর্ডে” যুক্ত হবে তাহারা।
অনুচ্ছেদ-৪৪ একতার বিচ্যুতি ঘটলে:-
সাংগঠনিক কিংবা ব্যক্তিগত যে কোন বিষয়েই মতানৈক্য বা দ্বন্দ্ব থাকলেও সংগঠনের স্বার্থে সবাইকে এক এবং অভিন্ন মতে চলতে হবে। এক্ষেত্রে যদি কোন প্রকার সংগঠন পরিপন্থী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তবে দ্রæত সময়ের মধ্যে স্ব স্ব নিয়ন্ত্রিত কমিটি জেলা,বিভাগ বা কেন্দ্রকে অবহিত পূর্ব প্রয়োজনীয় বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-৪৫ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে যুক্ত হওয়ার নিয়ম বা শর্ত:-
আপনি যদি সংগঠনের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় বা জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ করতে ইচ্ছুক হোন, তবে অবশ্যই আপনাকে সংগঠনে আজীবন সদস্য হিসেবেই অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। এবং সংগঠনের নিয়ম-নীতি মেনে কাজ করতে ইতিবাচক মানসিকতা থাকতে হবে।
অনুচ্ছেদ-৪৬ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক একাউন্ট প্রক্রিয়া:-
সংগঠনের একটি মাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বিকাশ বা নগদ একাউন্ট থাকবে। দায়িত্বশীল ও বিশ্বস্ত যেকোনো তিনজনের সমন্বয়ে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হবে।নতুন ব্যাংক হিসাব পরিচালনা কারী পরিবর্তন প্রয়োজন হলে তখন ব্যাংকিং ও সাংগঠনিক নিয়মে তা পরিবর্তন করতে হবে।
সংগঠন সততা ও স্বচ্ছতার স্বার্থে:
প্রতিবছর সাধারণ সভায় লিখিত আকারে আয়, ব্যয় ও সঞ্চয় হিসাব এবং কার্যক্রমের বিবিধ বিবরণ উপস্থাপন করবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের সম্মতিপূর্বক ওয়েবসাইটে ও প্রচার করবে।
অনুচ্ছেদ-৪৭ সংগঠনের বিভাগীয় ও জেলার ব্যাংক হিসাব পরিচালনা পদ্ধতি:-
বিশেষ প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ডের নীতি নির্ধারকদের মতামতও অনুমোদন স্বাপেক্ষে প্রত্যেক বিভাগে একটি করে সম্মিলিত ব্যাংক হিসাব খোলা যেতে পারে। ঐ বিভাগের সমস্ত জেলা সমূহের অর্থিক লেনদেন বিভাগীয় ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগসমূহ সকল জেলা কমিটির সাথে সমন্বয় করে ব্যাংক হিসাব ও বিবিধ হিসাব নিরক্ষনপূর্বক মুক্তভাবে তা প্রচার, প্রকাশ ও আলোচনা করবে। এবং তা অবশ্যই ওয়েবসাইটে লিপিবদ্ধ করতে হবে। প্রত্যেক বিভাগ ও জেলা সমূহ সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষর পূর্বক প্রতিবছর তাদের সমস্ত হিসাব ও কার্যক্রম সমূহ একটি পূর্ণাঙ্গ ফাইল হিসেবে কেন্দ্রে প্রেরণ করবে।

অনুচ্ছেদ-৪৮ হিসাব নিরক্ষণ ও সংরক্ষণ:-
প্রত্যেক বিভাগ, জেলা, মহানগর ও উপজেলা কমিটি সমূহ তাহাদের বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ, প্রাপ্তি-প্রদান, সকল প্রকার অনুদান হিসাব সংরক্ষণ করবে এবং সাধারণ সভায় উত্থাপন করে অনুমোদন গ্রহণ করবে। এছাড়াও বিভিন্ন তথ্য স্থিরচিত্র প্রচারিত সংবাদ সংরক্ষণে রাখবে এবং প্রতিবছর ফাইলাকারে কেন্দ্রে প্রেরণ করবে।
অনুচ্ছেদ-৪৯ অনুদান সঞ্চয় প্রক্রিয়া:
সকল সদস্যদের মাসিক ও দূর্যোগকালীন ও রাষ্ট্রীয়, বৈদেশিক দাতা সংস্থার সকল অনুদান কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যাংক হিসাব তহবিলে সঞ্চিত হবে। তবে জেলা ও উপজেলা কমিটির বাৎসরিক ও অনুষ্ঠানকালীন অনুদান বা স্থানীয় দুর্যোগকালীন অনুদান স্ব স্ব কমিটি সংগ্রহ, ব্যয় ও সঞ্চয় রাখতে পারিবে এবং তার হিসাব নিকাশ সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন প্রকাশ করিবে।
অনুচ্ছেদ-৫০ কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া:-
সাধারণ নিয়মে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও কেন্দ্রীয় ফোরামের সদস্যবৃন্দ সাধারণ সভায় তা নির্ধারণ করবে। এক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতা দেখা দিলে সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মহোদয় সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা ও সমন্বয়পূর্বক যা নির্ধারণ করবে তা সাংগঠনিক ভাবে সংগঠনের চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে কোনপক্ষের হস্তক্ষেপ বেআইনি এবং অগ্রহণযোগ্য বলে গণ্য হবে।
অনুচ্ছেদ-৫১ বিভাগীয়/জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া :-
বিভাগীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিভাগীয় সদস্য ও জেলা কমিটির সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক মহোদয় তা কার্যকরী সভার মাধ্যমে যৌথভাবে যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন করবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন জটিলতা সৃষ্টি হলে কেন্দ্রীয় কমিটি প্রতিষ্ঠাতা মহোদয়ের সমন্বয়ে একটি (৫)পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠনপূর্বক যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা চূড়ান্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে।
অনুচ্ছেদ-৫২ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা প্রক্রিয়া :-
কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড জরুরী এবং বিশেষ প্রয়োজনে সংগঠনের স্বার্থে যেকোনো কমিটিকে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করতে অপারক হলে কিংবা কোন কমিটি সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শর্ত এবং নিয়মাবলী বহির্ভূত কার্যক্রম পরিচালনা করে তবে নোটিশের মাধ্যমে যেকোনো কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে পারবে। এক্ষেত্রে কোন প্রকার আপত্তি কিংবা পদক্ষেপ সাংগঠনিকভাবে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সংগঠন ওয়েবসাইটে তা বিবৃতি আকারে প্রচার করতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-৫৩ বেআইনি কোন কিছুর দায় দায়িত্ব :-
সংগঠন বা কমিটির যেকোনো সদস্য বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির ব্যক্তিগত বেআইনি বা অসামাজিক কার্যক্রমের জন্য সংগঠন বা সংগঠনের দায়িত্বশীল কোনো ব্যাক্তি দায় কিংবা দায়ী থাকিবে না। এটি সম্পূর্ণ ঐ ব্যক্তির পরিবারের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে গণ্য থাকিবে। এই ক্ষেত্রে উল্লেখ থাকে যে কোন কোন সদস্য যদি ন্যয় নীতিগত পরিস্থিতিতে যুক্তি সহযোগিতার প্রয়োজন হলে সংগঠন অবশ্যই পাশে দাঁড়াতে বাধ্য থাকিবে।
অনুচ্ছেদ-৫৪ ঐচ্ছিক অব্যাহতি:-
ব্যক্তিগত আক্রোশ কিংবা অপছন্দের কারণে কোন সদস্য বা কমিটির কাউকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দিতে পারবে না। তবে যদি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকে তা তদন্ত পূর্বক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করবে। তাহাদের রিপোর্ট কার্যকরী সভায় উত্থাপন পূর্বক অধিকাংশ

উপস্থিতির সম্মতিক্রমে যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে এবং অবশ্যই কেন্দ্রকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। তবে তার পূর্বে উক্ত সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূল। তার জবাবে সন্তুষ্টি না হলে কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে।
অনুচ্ছেদ-৫৫ স্বপ্রণদিতে অব্যাহতি :-
সংগঠনের যেকোন সদস্য ব্যক্তিগত কারণে সংগঠন কিংবা কমিটি থেকে অব্যাহতি নিতে চাইলে অবশ্যই কমিটি বরাবর তাকে সুনির্দিষ্ট কারণ সহকারে আবেদন জানাতে হবে এবং তৎপরবর্তী সর্বোচ্চ তিন মাসের মধ্যে যথাযত কমিটি উপযুক্ত বিবেচনা পূর্বক লিখিতভাবে ঐ সদস্যকে অব্যাহতি প্রদান করবে, বিশেষ প্রয়োজনে সংগঠনের ওয়েবসাইটে ও বিবৃতি দিতে পারবে। এখানে উল্লেখ থাকে যে উক্ত সদস্য যদি নিজের প্রয়োজনে পরবর্তীতে সংগঠনের সংযুক্ত হতে চাই, তবে যোগ্যতা ও মানসিকতা বিবেচনায় সংগঠনের প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট চলমান কমিটি তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের করে উক্ত সাবেক সদস্যকে ব্যক্তিকে পুনরায় সুযোগ দিতে আন্তরিক থাকবে।
অনুচ্ছেদ-৫৬ দায়িত্ব পালন প্রক্রিয়া:-
সংগঠনের যেকোনো সাধারণ সদস্য কিংবা ফোরাম বা কমিটির সদস্য অবশ্যই সংগঠনের নিয়ম নীতি মেনে সকল কার্যক্রম ও দায়িত্ব পালন করতে আন্তরিকভাবে বাধ্য থাকিবে। এই সংগঠন আমার, আপনার এবং আমাদের সম্মিলিত সংগঠন। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সংগঠন যেন সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে সেই আন্তরিক প্রচেষ্টা ও মানসিকতা থাকা সকল সদস্যদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
অনুচ্ছেদ-৫৭ যেকোনো জটিল মতানৈক্যের সমাধান প্রক্রিয়া :-
কমিটি গঠন সহ যে কোন সিদ্ধান্তে মতানৈক্য হলে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে সমাধানের লক্ষ্যে সংগঠনের আজীবন সদস্য গণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সেই ক্ষেত্রে স্ব স্ব নিয়ন্ত্রিত কমিটি সমন্বয়ের ভূমিকা পালন করবে। তাতেও যদি আলোচিত বিষয় মীমাংসিত না হয় তবে প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড ও কেন্দ্রীয় কমিটি৩/৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে যে সিদ্ধান্ত গঠন করবে তা চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
অনুচ্ছেদ-৫৮ সদস্য পদ বিলুপ্তি প্রক্রিয়া:-
কোন সদস্য যদি ইচ্ছা কৃতভাবে অথবা কোন কারণের বশবতি হয়ে সংগঠন বিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী অথবা ক্ষতিকারক কোন কার্যক্রিয়া অংশগ্রহণ কিংবা সংঘটিত করে, তবে এই ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত কমিটি স্থায়ী কিংবা অস্থায়ীভাবে ঐ সদস্যের সদস্য পদ বাতিল করার ক্ষমতার সংরক্ষণ রাখে। এক্ষেত্রে অবশ্যই কেন্দ্রীয় কমিটি কে অবহিতকরণ বাধ্যতামূলক। তবে কোন অবস্থায় কোন সদস্যকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে সদস্য পদ বাতিল ঘোষণা করতে পারবে না। এক্ষেত্রে আরো উল্লেখ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার অভিযোগের বিপরীতে যুক্তিযুক্ত এবং গ্রহণযোগ্য সত্যতা যদি উপস্থাপন কওে, তবে তার সদস্য পদ পুন বহালের সুযোগ থাকবে। তবে বিশেষ বিশেষ প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতি বাধ্যতামূলক।
অনুচ্ছেদ-৫৯ সংগঠনের বিলুপ্তি প্রক্রিয়া :-
একটি সংগঠন গঠিত হয় দীর্ঘ সময় ধরে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে। তবে এই ক্ষেত্রে যদি বড় ধরনের কোন মতানৈক্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় এবং সদস্যদের অধিকাংশ সংগঠন পরিচালনায় অনাস্থা উত্থাপিত করে, তবে প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা পূর্বক অধিকাংশ সদস্যের মতামতামত অনুসারে দেশের আইন অনুসারে নোটিশ ও মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে সংগঠন স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বিলুপ্তি ঘোষনা করতে পারবে।

এই ক্ষেত্রে সংগঠনের ওয়েবসাইটে ও বিবৃতি প্রকাশ করতে হবে। এখানে আরো উল্লেখ্য যে নীতিগত বিষয়ে সংশ্লিষ্ঠরা মীমাংসার ভিত্তিতে সহমত পোষন করলে সংগঠনের সকল কার্যক্রম পুণরায় শুরু করতে পারবে। তবে এখানে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হলো এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্টাতা বোর্ড এর সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

পরিশেষে উল্লেখ করতে চাই অত্র সংগঠন “হিঊমেইন গ্লোবাল অর্গানাইজেশন” উপরোক্ত গঠনতন্ত্রের লিখিত অনুচ্ছেদের আলোকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। এছাড়াও গঠনতন্ত্রের সাথে সংগঠনের লিখিত ও মৌখিক শর্ত ও নিয়মাবলী মেনে প্রত্যেক সদস্য, সকল কমিটি, সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম,পরিকল্পনা গ্রহণ এবং পরিচালনা করবে। এই গঠনতন্ত্র সংগঠনের অস্তিত্ব রক্ষার অবলম্বন ও কার্যক্রম পরিচালনার শক্তিশালী দলিল হিসেবে গণ্য। সংগঠনের উক্ত গঠনতন্ত্র যে কোন পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্টদের সম্মতিক্রমে ও প্রতিষ্ঠাতা বোর্ডের অনুমতি ও অনুমোদন সাপেক্ষে পরিবর্তন, সংশোধন ও পরিমার্জন করার সুযোগ রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে একটি ৭ সাতজন সদস্যের বোর্ড গঠনপূর্বক উক্ত সংশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এই সংগঠনের গঠনতন্ত্রের মৌলিক কোন পরিবর্তন আনা যাবে না। আশা করি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত সকলেই অত্র গঠনতন্ত্রকে সংগঠনের দলিল এবং পথ চলার আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করবে। এই সংগঠন আমার, আপনার, আমাদের সকলের। আসুন সবাই মিলে নিয়ম তান্ত্রিকভাবে সংগঠনকে পরিচালিত করে সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘ অস্থায়ীকাল প্রজন্ন থেকে প্রজন্ম পর্যন্ত নিশ্চিত করি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। সংগঠন পরম করুনাময় মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সকল সদস্যের সুন্দর ও নিরাপদ জীবন প্রার্থনা করে। আসুন সবাই মিলে এক এবং অভিন্ন ভাবনায় এগিয়ে চলি এবং আমাদের বাস্তব মুখী লক্ষ্য ও কার্যক্রম সফল করে পৃথিবী ও মানব কল্যাণে ভূমিকা রাখতে গর্বিত অংশীদার হই।
সবাইকে ধন্যবাদ।

গঠনতন্ত্রের রচিয়তা: দিপাল অনিন্দ্য পাল (সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা)
সহযোগিতায়: রীমা দত্ত,মো: জাহাঙ্গীর আলম, ডা: ওমর ফারুক, সুজিত মজুমদার, তপন কান্তি দাশ, রাজীব দাশ ও সৌরভ পাল।
অনুমোদনে: প্রতিষ্ঠা বোর্ডের সদস্য ও আহবায়ক কমিটি। ****